০৮:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পশ্চিমবঙ্গে মুসলিমরা হয়ে গেছেন গো-রক্ষক, হিন্দু ব্যবসায়ীরা চান গবাদিপশু জবাই- শুভেন্দু

  • নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:৩৯:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
  • ১০১

বাংলার ইতিহাসে এই প্রথম মুসলিম সমাজের একটি বড় অংশ প্রকাশ্যে গরু কোরবানির বিরোধিতা করছে, অন্যদিকে কট্টর হিন্দু সমর্থক গোষ্ঠীর একটি অংশ এখন হন্যে হয়ে আশা করছে যে যেভাবেই হোক, যেকোনো উপায়ে যেন গরু কোরবানি দেওয়া হয়।

পশ্চিমবঙ্গের সোশ্যাল মিডিয়া হঠাৎ করেই গরুর ভিডিওতে সয়লাব হয়ে গেছে। একটি ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, একদল মুসলিম যুবক হিন্দু গরু বিক্রেতাদের পথরোধ করছেন এবং তাদের গরুর সাথে বাড়িতে ফেরত পাঠিয়ে দিচ্ছেন। তারা বলছেন, “নিজের মাকে কেন বিক্রি করতে চাইছেন? তাকে বাড়ি নিয়ে সেবা করুন। আপনারা গরু বিক্রি করে টাকা কামাবেন, আর আমরা জেলে যাব।”

অন্য একটি ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, মুসলিম যুবকরা গবাদিপশু বহনকারী ট্রাক থামিয়ে চালকদের জেরা করছেন। তারা বলছেন, “কেন আপনাদের মাকে এভাবে বেঁধে অমানবিক উপায়ে নিয়ে যাচ্ছেন? তাকে সম্মানের সাথে হাঁটিয়ে নিয়ে যান।”

 

একই সময়ে বেশ কয়েকজন মুসলিম ইনফ্লুয়েন্সার এবারের ঈদুল আজহায় গরু না কেনার জন্য জনগণের কাছে প্রকাশ্য আবেদন জানাচ্ছেন। এই ভিডিওগুলোর পাশাপাশি দেখা যাচ্ছে আরও কিছু হৃদয়বিদারক দৃশ্য—যেখানে হিন্দু গরু খামারিরা শূন্য হাটে কোনো বেচাকেনা করতে না পেরে শুকনো মুখে উদ্বেগ ও হতাশা নিয়ে বাড়ি ফিরছেন।

অনেকেই সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন নবগঠিত বিজেপি সরকারকে এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী করছেন। ‘জেন জি’ নেটিজেনরা এই পরিস্থিতিকে একটি ‘উনো রিভার্স’ মুহূর্ত বলে অভিহিত করছেন—যা জনপ্রিয় একটি কার্ড গেমের রেফারেন্স, যেখানে হঠাৎ করে সব ভূমিকা উল্টে যায়।

অনলাইনে এই সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। একটি আঞ্চলিক সংবাদমাধ্যমের ‘গরু সংকট’ নিয়ে করা প্রতিবেদন মাত্র এক দিনে ইউটিউবে ১০ লাখ এবং ফেসবুকে ৩০ লাখ ভিউ ছাড়িয়েছে।

 

গত ১৩ মে নবগঠিত বিজেপি সরকার ‘পশ্চিমবঙ্গ গবাদিপশু জবাই নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৫০’ কঠোরভাবে কার্যকরের ঘোষণা দেয়। এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে:

সর্বাধিক পঠিত

চাটখিলে তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে যুবদলের র‍্যালি ও সমাবেশ

পশ্চিমবঙ্গে মুসলিমরা হয়ে গেছেন গো-রক্ষক, হিন্দু ব্যবসায়ীরা চান গবাদিপশু জবাই- শুভেন্দু

আপডেট: ০৯:৩৯:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

বাংলার ইতিহাসে এই প্রথম মুসলিম সমাজের একটি বড় অংশ প্রকাশ্যে গরু কোরবানির বিরোধিতা করছে, অন্যদিকে কট্টর হিন্দু সমর্থক গোষ্ঠীর একটি অংশ এখন হন্যে হয়ে আশা করছে যে যেভাবেই হোক, যেকোনো উপায়ে যেন গরু কোরবানি দেওয়া হয়।

পশ্চিমবঙ্গের সোশ্যাল মিডিয়া হঠাৎ করেই গরুর ভিডিওতে সয়লাব হয়ে গেছে। একটি ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, একদল মুসলিম যুবক হিন্দু গরু বিক্রেতাদের পথরোধ করছেন এবং তাদের গরুর সাথে বাড়িতে ফেরত পাঠিয়ে দিচ্ছেন। তারা বলছেন, “নিজের মাকে কেন বিক্রি করতে চাইছেন? তাকে বাড়ি নিয়ে সেবা করুন। আপনারা গরু বিক্রি করে টাকা কামাবেন, আর আমরা জেলে যাব।”

অন্য একটি ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, মুসলিম যুবকরা গবাদিপশু বহনকারী ট্রাক থামিয়ে চালকদের জেরা করছেন। তারা বলছেন, “কেন আপনাদের মাকে এভাবে বেঁধে অমানবিক উপায়ে নিয়ে যাচ্ছেন? তাকে সম্মানের সাথে হাঁটিয়ে নিয়ে যান।”

 

একই সময়ে বেশ কয়েকজন মুসলিম ইনফ্লুয়েন্সার এবারের ঈদুল আজহায় গরু না কেনার জন্য জনগণের কাছে প্রকাশ্য আবেদন জানাচ্ছেন। এই ভিডিওগুলোর পাশাপাশি দেখা যাচ্ছে আরও কিছু হৃদয়বিদারক দৃশ্য—যেখানে হিন্দু গরু খামারিরা শূন্য হাটে কোনো বেচাকেনা করতে না পেরে শুকনো মুখে উদ্বেগ ও হতাশা নিয়ে বাড়ি ফিরছেন।

অনেকেই সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন নবগঠিত বিজেপি সরকারকে এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী করছেন। ‘জেন জি’ নেটিজেনরা এই পরিস্থিতিকে একটি ‘উনো রিভার্স’ মুহূর্ত বলে অভিহিত করছেন—যা জনপ্রিয় একটি কার্ড গেমের রেফারেন্স, যেখানে হঠাৎ করে সব ভূমিকা উল্টে যায়।

অনলাইনে এই সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। একটি আঞ্চলিক সংবাদমাধ্যমের ‘গরু সংকট’ নিয়ে করা প্রতিবেদন মাত্র এক দিনে ইউটিউবে ১০ লাখ এবং ফেসবুকে ৩০ লাখ ভিউ ছাড়িয়েছে।

 

গত ১৩ মে নবগঠিত বিজেপি সরকার ‘পশ্চিমবঙ্গ গবাদিপশু জবাই নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৫০’ কঠোরভাবে কার্যকরের ঘোষণা দেয়। এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে: