০৭:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাটখিলে এক বছরেও উদঘাটিত হয়নি তাহেরা হত্যা রহস্য, পরিবারের ক্ষোভ

  • নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০২:৪৩:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
  • ৬৮

এক বছর পার হলেও উদঘাটিত হয়নি নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলার পর্তুগালের নাগরিক তাহেরা বেগম হত্যার রহস্য। জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। ফলে, নিহতের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে মামলাটি পিবিআইয়ের তদন্তাধীন রয়েছে।

 

তাহেরা বেগম চাটখিলের খিলপাড়া গ্রামের আব্দুর রব মুন্সী বাড়ীর মৃত আব্দুল মতিনের স্ত্রী। তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়ের মা ছিলেন।

 

জানা গেছে, তাহেরা বেগম ২০২৫ সালের ২৭ জানুয়ারি পর্তুগাল থেকে পরিবারের সদস্যদের সাথে কুরবানির ঈদ করার জন্য বাড়িতে আসেন। ১৭ জুলাই পর্তুগাল যাওয়ার ফিরতি টিকেট এনেছিলেন তিনি। ৭ মে দিবাগত রাতে তাহেরা বেগম তাহাজ্জতের নামাজ পড়ার সময় দুষ্কৃতিকারীদের ছুরিকাঘাতে নিহত হন। এ ঘটনায় তখন বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া সংবাদ প্রকাশিত হয়।

৮ মে নিহতের ছেলে খিলপাড়া বাজারের ব্যবসায়ী তারেক বিন ইসলাম থানায় মামলা করেন। ১২ মে হত্যাকারীদের শনাক্তকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করে খিলপাড়া বাজারে মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা। মামলাটি পিবিআইতে স্থানান্তরের দাবি জানান।

মামলার বাদি এ হত্যার মূল রহস্য উদঘাটন, ঘটনার মূল মাস্টারমাইন্ড অথবা ভিক্টিমের সাথে কারও পূর্ব শত্রুতা ছিল কিনা অথবা জড়িত থাকলে দুষ্কৃতিকারীদের গ্রেপ্তার করতে না পারার অভিযোগ এনে চাটখিল থানা থেকে মামলাটি পিবিআইতে স্থানান্তরের জন্য পুলিশ হেড কোয়াটারে ক্রাইম রেঞ্জের এডিশনাল ডিআইজির নিকট আবেদন করেন। আবেদনে তিনি মামলা তদন্তের কোন ফলাফল না পাওয়ারও অভিযোগ আনেন। মামলটি চাটখিল থানা থেকে পিবিআইতে স্থানান্তর করা হয়েছে।

 

তাহেরা বেগমের দেবর শাহ আলম কালু জানান, তার ভাবীকে হত্যার পর এ ঘটনার সাথে জড়িতদের নাম ও ছবি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার করা হলেও কর্তৃপক্ষ এগুলো আমলে নেননি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারগুলো তদন্ত করে আমলে নিলে এ ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন সম্ভব।

 

খিলপাড়া বাজারের ব্যবসায়ী ফাতিন আলমাস জানান, তাহেরা বেগম হত্যা ১ বছর অতিবাহিত হলেও প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে না পারা দুঃখজনক।

 

তাহেরার ভাই পিয়াস এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে খুনিদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

 

নোয়াখালী জেলার পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার ফয়েজুর রহমান জানান, মামলাটি ঘটনার অনেক পরে পিবিআইতে এসেছে। পিবিআইয়ের বিশেষ টিম মামলাটি নিয়ে কাজ করছে।

 

সর্বাধিক পঠিত

চাটখিলে তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে যুবদলের র‍্যালি ও সমাবেশ

চাটখিলে এক বছরেও উদঘাটিত হয়নি তাহেরা হত্যা রহস্য, পরিবারের ক্ষোভ

আপডেট: ০২:৪৩:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

এক বছর পার হলেও উদঘাটিত হয়নি নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলার পর্তুগালের নাগরিক তাহেরা বেগম হত্যার রহস্য। জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। ফলে, নিহতের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে মামলাটি পিবিআইয়ের তদন্তাধীন রয়েছে।

 

তাহেরা বেগম চাটখিলের খিলপাড়া গ্রামের আব্দুর রব মুন্সী বাড়ীর মৃত আব্দুল মতিনের স্ত্রী। তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়ের মা ছিলেন।

 

জানা গেছে, তাহেরা বেগম ২০২৫ সালের ২৭ জানুয়ারি পর্তুগাল থেকে পরিবারের সদস্যদের সাথে কুরবানির ঈদ করার জন্য বাড়িতে আসেন। ১৭ জুলাই পর্তুগাল যাওয়ার ফিরতি টিকেট এনেছিলেন তিনি। ৭ মে দিবাগত রাতে তাহেরা বেগম তাহাজ্জতের নামাজ পড়ার সময় দুষ্কৃতিকারীদের ছুরিকাঘাতে নিহত হন। এ ঘটনায় তখন বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া সংবাদ প্রকাশিত হয়।

৮ মে নিহতের ছেলে খিলপাড়া বাজারের ব্যবসায়ী তারেক বিন ইসলাম থানায় মামলা করেন। ১২ মে হত্যাকারীদের শনাক্তকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করে খিলপাড়া বাজারে মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা। মামলাটি পিবিআইতে স্থানান্তরের দাবি জানান।

মামলার বাদি এ হত্যার মূল রহস্য উদঘাটন, ঘটনার মূল মাস্টারমাইন্ড অথবা ভিক্টিমের সাথে কারও পূর্ব শত্রুতা ছিল কিনা অথবা জড়িত থাকলে দুষ্কৃতিকারীদের গ্রেপ্তার করতে না পারার অভিযোগ এনে চাটখিল থানা থেকে মামলাটি পিবিআইতে স্থানান্তরের জন্য পুলিশ হেড কোয়াটারে ক্রাইম রেঞ্জের এডিশনাল ডিআইজির নিকট আবেদন করেন। আবেদনে তিনি মামলা তদন্তের কোন ফলাফল না পাওয়ারও অভিযোগ আনেন। মামলটি চাটখিল থানা থেকে পিবিআইতে স্থানান্তর করা হয়েছে।

 

তাহেরা বেগমের দেবর শাহ আলম কালু জানান, তার ভাবীকে হত্যার পর এ ঘটনার সাথে জড়িতদের নাম ও ছবি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার করা হলেও কর্তৃপক্ষ এগুলো আমলে নেননি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারগুলো তদন্ত করে আমলে নিলে এ ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন সম্ভব।

 

খিলপাড়া বাজারের ব্যবসায়ী ফাতিন আলমাস জানান, তাহেরা বেগম হত্যা ১ বছর অতিবাহিত হলেও প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে না পারা দুঃখজনক।

 

তাহেরার ভাই পিয়াস এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে খুনিদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

 

নোয়াখালী জেলার পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার ফয়েজুর রহমান জানান, মামলাটি ঘটনার অনেক পরে পিবিআইতে এসেছে। পিবিআইয়ের বিশেষ টিম মামলাটি নিয়ে কাজ করছে।