০৫:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাটখিলে অন্ধকার তাড়াতে যুবসমাজের উদ্যোগ, রাতের আঁধারে তার কেটে দিল দুষ্কৃতকারীরা!

  • নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৬:০১:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • ২৬৬

চাটখিল টিভি ডেস্কঃ

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার ৮নং ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের সিংবাহুড়া-খেজুরতলা থেকে ধলাপুল সংযোগ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অবহেলার শিকার। রাস্তাটির বেহাল দশা তো ছিলই, তার ওপর সন্ধ্যা নামলেই পুরো সড়কটি ডুবে যেত ঘুটঘুটে অন্ধকারে। ফলে চুরি, ছিনতাইয়ের আতঙ্কসহ সাধারণ মানুষের যাতায়াতে চরম বিঘ্ন ঘটত।

জনপ্রতিনিধিদের আশায় বসে না থেকে, প্রায় দুই বছর আগে স্থানীয় যুবসমাজ নিজেদের অর্থায়নে এই অন্ধকার দূর করার এক অনন্য উদ্যোগ নেয়। খেজুরতলা বাজার থেকে শুরু করে আখুঞ্জি বাড়ির মসজিদ পর্যন্ত পুরো রাস্তায় নিজস্ব উদ্যোগে লাইটিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়।

বিগত দুই বছর ধরে এই লাইটগুলো সারারাত জ্বলত এবং পুরো এলাকাবাসী এর সুফল ভোগ করে আসছিল। যুবসমাজের পরিকল্পনা ছিল পর্যায়ক্রমে এই লাইটিংয়ের পরিধি আরও দূর পর্যন্ত বিস্তৃত করার।

কিন্তু গত রাতে এক ন্যাক্কারজনক ঘটনার সাক্ষী হলো এলাকাবাসী।

জানা যায়, গত রাতে কে বা কাহারা এই লাইটিংয়ের মূল সংযোগ লাইনগুলো কেটে দেয়। এখানেই শেষ নয়, আজ দুপুরে জোহরের নামাযের সময়, যখন সবাই মসজিদে ব্যস্ত, সেই সুযোগে লাইটের তারগুলো সম্পূর্ণ ছিঁড়ে চুরি করে নিয়ে যাওয়া হয়!

এলাকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য তৈরি এই সামাজিক সম্পদ ধ্বংস করার পেছনে কার বা কাদের স্বার্থ জড়িয়ে আছে, তা নিয়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে স্থানীয় তরুণ ও সচেতন মহলে। যে সম্পদ দেখভাল করার দায়িত্ব ছিল পুরো এলাকাবাসীর, দিনের আলোতে সবার চোখের সামনে দিয়ে এমন ঘটনা কীভাবে ঘটল, তা নিয়ে উঠছে বড় প্রশ্ন।

স্থানীয় যুবসমাজের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দিয়ে জানানো হয়েছে:
“যারা অন্ধকারকে ভালোবেসে, নিজেদের ক্ষুদ্র স্বার্থ বা হিংসার বশে পুরো এলাকার মানুষের ক্ষতি করতে এই কাপুরুষোচিত কাজ করেছেন, তাদের এই অন্যায় সহজে পার পেয়ে যাবে না। এই ন্যাক্কারজনক কাজের ভয়াবহ পরিণতির জন্য প্রস্তুত থাকুন। সময় বেশি লাগবে না, সত্য এবং অপরাধী সবার সামনে প্রকাশ পাবেই।”

এই বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও সুশীল সমাজের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে, যেন দ্রুত তদন্ত করে এই দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করা হয় এবং আইনের আওতায় আনা হয়।

সর্বাধিক পঠিত

চাটখিল নরমাল ডেলিভারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে নবজাতকের পা ভাঙার অভিযোগ

চাটখিলে অন্ধকার তাড়াতে যুবসমাজের উদ্যোগ, রাতের আঁধারে তার কেটে দিল দুষ্কৃতকারীরা!

আপডেট: ০৬:০১:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

চাটখিল টিভি ডেস্কঃ

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার ৮নং ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের সিংবাহুড়া-খেজুরতলা থেকে ধলাপুল সংযোগ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অবহেলার শিকার। রাস্তাটির বেহাল দশা তো ছিলই, তার ওপর সন্ধ্যা নামলেই পুরো সড়কটি ডুবে যেত ঘুটঘুটে অন্ধকারে। ফলে চুরি, ছিনতাইয়ের আতঙ্কসহ সাধারণ মানুষের যাতায়াতে চরম বিঘ্ন ঘটত।

জনপ্রতিনিধিদের আশায় বসে না থেকে, প্রায় দুই বছর আগে স্থানীয় যুবসমাজ নিজেদের অর্থায়নে এই অন্ধকার দূর করার এক অনন্য উদ্যোগ নেয়। খেজুরতলা বাজার থেকে শুরু করে আখুঞ্জি বাড়ির মসজিদ পর্যন্ত পুরো রাস্তায় নিজস্ব উদ্যোগে লাইটিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়।

বিগত দুই বছর ধরে এই লাইটগুলো সারারাত জ্বলত এবং পুরো এলাকাবাসী এর সুফল ভোগ করে আসছিল। যুবসমাজের পরিকল্পনা ছিল পর্যায়ক্রমে এই লাইটিংয়ের পরিধি আরও দূর পর্যন্ত বিস্তৃত করার।

কিন্তু গত রাতে এক ন্যাক্কারজনক ঘটনার সাক্ষী হলো এলাকাবাসী।

জানা যায়, গত রাতে কে বা কাহারা এই লাইটিংয়ের মূল সংযোগ লাইনগুলো কেটে দেয়। এখানেই শেষ নয়, আজ দুপুরে জোহরের নামাযের সময়, যখন সবাই মসজিদে ব্যস্ত, সেই সুযোগে লাইটের তারগুলো সম্পূর্ণ ছিঁড়ে চুরি করে নিয়ে যাওয়া হয়!

এলাকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য তৈরি এই সামাজিক সম্পদ ধ্বংস করার পেছনে কার বা কাদের স্বার্থ জড়িয়ে আছে, তা নিয়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে স্থানীয় তরুণ ও সচেতন মহলে। যে সম্পদ দেখভাল করার দায়িত্ব ছিল পুরো এলাকাবাসীর, দিনের আলোতে সবার চোখের সামনে দিয়ে এমন ঘটনা কীভাবে ঘটল, তা নিয়ে উঠছে বড় প্রশ্ন।

স্থানীয় যুবসমাজের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দিয়ে জানানো হয়েছে:
“যারা অন্ধকারকে ভালোবেসে, নিজেদের ক্ষুদ্র স্বার্থ বা হিংসার বশে পুরো এলাকার মানুষের ক্ষতি করতে এই কাপুরুষোচিত কাজ করেছেন, তাদের এই অন্যায় সহজে পার পেয়ে যাবে না। এই ন্যাক্কারজনক কাজের ভয়াবহ পরিণতির জন্য প্রস্তুত থাকুন। সময় বেশি লাগবে না, সত্য এবং অপরাধী সবার সামনে প্রকাশ পাবেই।”

এই বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও সুশীল সমাজের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে, যেন দ্রুত তদন্ত করে এই দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করা হয় এবং আইনের আওতায় আনা হয়।