০৯:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বকাপে জালিয়াতি’ ফিফা সভাপতি ও রেফারির বিরুদ্ধে নোয়াখালীর থানায় লিখিত অভিযোগ

  • নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৩:০১:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ৭১

বিশ্বকাপে জালিয়াতি’ ফিফা সভাপতি ও রেফারির বিরুদ্ধে নোয়াখালীর থানায় লিখিত অভিযোগ

 

বিশ্বকাপ ফুটবলের একটি ম্যাচে রেফারিংয়ে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলে ফিফার সভাপতি ও ম্যাচ রেফারির বিরুদ্ধে নোয়াখালীর সুধারাম মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ নিয়ে যান এক তরুণ। ম্যাচটিতে পূর্বপরিকল্পিত জালিয়াতি ও কোটি কোটি মানুষের আবেগ নিয়ে খেলার অভিযোগ তুলে ওই তরুণ পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণও দাবি করেন।

 

অভিযোগকারী মো. রাকিব (২২) সদর উপজেলার মান্দারতলী গ্রামের বাসিন্দা। গতকাল বুধবার রাতে তিনি থানায় লিখিত নিয়ে উপস্থিত হন। তবে পুলিশ জানিয়েছে, এ বিষয়ে তাদের আইনগত এখতিয়ার নেই।

অভিযোগে রাকিব দাবি করেন, গত মঙ্গলবার রাতে তিনি স্থানীয় করমুল্যা বাজারে আরও অনেকের সঙ্গে বড় পর্দায় আর্জেন্টিনা ও মিসরের মধ্যকার বিশ্বকাপ ফুটবলের ম্যাচটি দেখছিলেন। ম্যাচে রেফারি ইচ্ছাকৃতভাবে একটি দলকে সুবিধা দিয়েছেন এবং এতে তাঁর প্রিয় দল মিসর পরাজিত হয়েছে। তিনি অভিযোগে ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো, ম্যাচ রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়েরসহ ১৫ থেকে ২০ জনকে অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করেন।

 

রাকিবের অভিযোগ, ম্যাচে অন্যায্য পেনাল্টি দেওয়া, বৈধ গোল বাতিল করা এবং মিসরের খেলোয়াড় ও কোচের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়ার মাধ্যমে ফলাফল প্রভাবিত করা হয়েছে। এতে তিনি ও মিসরের সমর্থকেরা মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তিনি ফিফার কাছ থেকে পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

 

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ওই তরুণের অভিযোগ নিয়ে আসার বিষয়টি সত্য। তবে এ ধরনের বিষয়ে স্থানীয় থানার আইনগত এখতিয়ার নেই। অভিযোগকারীকে বিষয়টি বুঝিয়ে বলা হয়েছে এবং প্রয়োজন হলে আন্তর্জাতিক আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

 

আজ বৃহস্পতিবার সকালে মো. রাকিব প্রথম আলোকে বলেন, আর্জেন্টিনা ও মিসরের মধ্যকার ফুটবল ম্যাচটি দেখার পর থেকে তিনি ও তাঁর অভিযোগের সাক্ষীরা চরমভাবে ভেঙে পড়েছেন। এই অন্যায়ের বিচার হওয়া উচিত। পুলিশ অভিযোগটি মামলা হিসেবে নেয়নি। তাই তিনি একই অভিযোগ নিয়ে আদালতে যাবেন। প্রয়োজনে মানববন্ধনসহ অন্য কর্মসূচিও পালন করবেন।

 

 

সর্বাধিক পঠিত

চাটখিলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের গৃহনির্মাণ সামগ্রী হস্তান্তর

বিশ্বকাপে জালিয়াতি’ ফিফা সভাপতি ও রেফারির বিরুদ্ধে নোয়াখালীর থানায় লিখিত অভিযোগ

আপডেট: ০৩:০১:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপে জালিয়াতি’ ফিফা সভাপতি ও রেফারির বিরুদ্ধে নোয়াখালীর থানায় লিখিত অভিযোগ

 

বিশ্বকাপ ফুটবলের একটি ম্যাচে রেফারিংয়ে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলে ফিফার সভাপতি ও ম্যাচ রেফারির বিরুদ্ধে নোয়াখালীর সুধারাম মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ নিয়ে যান এক তরুণ। ম্যাচটিতে পূর্বপরিকল্পিত জালিয়াতি ও কোটি কোটি মানুষের আবেগ নিয়ে খেলার অভিযোগ তুলে ওই তরুণ পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণও দাবি করেন।

 

অভিযোগকারী মো. রাকিব (২২) সদর উপজেলার মান্দারতলী গ্রামের বাসিন্দা। গতকাল বুধবার রাতে তিনি থানায় লিখিত নিয়ে উপস্থিত হন। তবে পুলিশ জানিয়েছে, এ বিষয়ে তাদের আইনগত এখতিয়ার নেই।

অভিযোগে রাকিব দাবি করেন, গত মঙ্গলবার রাতে তিনি স্থানীয় করমুল্যা বাজারে আরও অনেকের সঙ্গে বড় পর্দায় আর্জেন্টিনা ও মিসরের মধ্যকার বিশ্বকাপ ফুটবলের ম্যাচটি দেখছিলেন। ম্যাচে রেফারি ইচ্ছাকৃতভাবে একটি দলকে সুবিধা দিয়েছেন এবং এতে তাঁর প্রিয় দল মিসর পরাজিত হয়েছে। তিনি অভিযোগে ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো, ম্যাচ রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়েরসহ ১৫ থেকে ২০ জনকে অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করেন।

 

রাকিবের অভিযোগ, ম্যাচে অন্যায্য পেনাল্টি দেওয়া, বৈধ গোল বাতিল করা এবং মিসরের খেলোয়াড় ও কোচের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়ার মাধ্যমে ফলাফল প্রভাবিত করা হয়েছে। এতে তিনি ও মিসরের সমর্থকেরা মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তিনি ফিফার কাছ থেকে পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

 

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ওই তরুণের অভিযোগ নিয়ে আসার বিষয়টি সত্য। তবে এ ধরনের বিষয়ে স্থানীয় থানার আইনগত এখতিয়ার নেই। অভিযোগকারীকে বিষয়টি বুঝিয়ে বলা হয়েছে এবং প্রয়োজন হলে আন্তর্জাতিক আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

 

আজ বৃহস্পতিবার সকালে মো. রাকিব প্রথম আলোকে বলেন, আর্জেন্টিনা ও মিসরের মধ্যকার ফুটবল ম্যাচটি দেখার পর থেকে তিনি ও তাঁর অভিযোগের সাক্ষীরা চরমভাবে ভেঙে পড়েছেন। এই অন্যায়ের বিচার হওয়া উচিত। পুলিশ অভিযোগটি মামলা হিসেবে নেয়নি। তাই তিনি একই অভিযোগ নিয়ে আদালতে যাবেন। প্রয়োজনে মানববন্ধনসহ অন্য কর্মসূচিও পালন করবেন।