০৪:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফেসবুকে কমেন্ট নিয়ে বিরোধ: চাটখিলে প্রবাসী জামায়াত কর্মীর বাড়িতে ছাত্রদল নেতার হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ

  • নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৮:৩৯:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬
  • ২৩৭

চাটখিল টিভি ডেস্কঃ

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নে ফেসবুকে কমেন্ট করাকে কেন্দ্র করে এক প্রবাসী জামায়াত কর্মীর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও তার ছোট ভাইকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, বদলকোট ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ হোসেন তানভীর এই হামলা ও তাণ্ডব চালিয়েছেন।

শনিবার (২৩ মে) সন্ধ্যায় বদলকোট ইউনিয়নে প্রবাসী জামায়াত কর্মী তানিম আহমেদের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী প্রবাসীর বোন জানান, ফেসবুকে কমেন্ট নিয়ে বিরোধের জেরে শনিবার মাগরিবের পর ছাত্রদল নেতা মোঃ হোসেন তানভীর আরেকজন সহযোগীকে নিয়ে তাদের বাড়িতে আসেন। ঘরে তখন শুধু প্রবাসীর মা ও বোন ছিলেন। ঘরে ঢুকেই ছাত্রদল নেতা তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও চিল্লাচিল্লি শুরু করেন। একপর্যায়ে প্রবাসীর বোনকে বাধ্য করে প্রবাসীর ফোনে কল দেওয়ানো হয়। প্রবাসীর সাথে ফোনে কথা বলার একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ছাত্রদল নেতা প্রবাসীর বোনের মোবাইল ফোনটি  পর পর দুইবার আছাড় দিয়ে দুই ভাগ করে ফেলেন।

“তাণ্ডবের বিবরণ দিয়ে প্রবাসীর বোন আরও জানান, ছাত্রদল নেতা চেয়ার ভাঙচুর করেন এবং ভাঙা চেয়ারের অংশ আমার মায়ের গায়ে পড়ে, এতে মা ব্যথা পান। এরপর টেবিল থেকে মরিচের গুঁড়া ও লিকুইড আমসত্ত্ব পালানো সময় আমাদের দুজনের গায়ে ও চোখে পড়ে। মরিচের গুঁড়া চোখে ঢুকে যাওয়ায় আমাদের চোখ ও শরীর প্রচণ্ড জ্বালাপোড়া করছে।”

অভিযোগ রয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে যাওয়ার সময় ছাত্রদল নেতা হোসেন তানভীর প্রবাসীর পরিবারকে হুমকি দিয়ে বলেন, প্রবাসীর যদি ফেসবুকে লেখার স্বাধীনতা থাকে, তবে উনারও স্বাধীনতা আছে ঘরে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার। এছাড়া প্রবাসী দেশে ফিরলে তাকে জবাই করার হুমকিও দেওয়া হয় বলে প্রবাসীর বোন অভিযোগ করেন।

পরিবার সূত্রে আরও জানা গেছে, প্রতিবেশী এক ব্যক্তি এই হামলার ঘটনা নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করায় তার সাথেও বাকবিতণ্ডায় জড়ান অভিযুক্তরা। তাকে তুলে নেওয়া চেষ্টা করলে প্রবাসীর ছোট ভাইকে মারধর করা হয়।

ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, ঘটনার পর চাটখিল থানা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করা হলেও পুলিশ আসার কথা বলে পরবর্তীতে আর ঘটনাস্থলে আসেনি।

সর্বাধিক পঠিত

চাটখিলে তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে যুবদলের র‍্যালি ও সমাবেশ

ফেসবুকে কমেন্ট নিয়ে বিরোধ: চাটখিলে প্রবাসী জামায়াত কর্মীর বাড়িতে ছাত্রদল নেতার হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ

আপডেট: ০৮:৩৯:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

চাটখিল টিভি ডেস্কঃ

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নে ফেসবুকে কমেন্ট করাকে কেন্দ্র করে এক প্রবাসী জামায়াত কর্মীর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও তার ছোট ভাইকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, বদলকোট ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ হোসেন তানভীর এই হামলা ও তাণ্ডব চালিয়েছেন।

শনিবার (২৩ মে) সন্ধ্যায় বদলকোট ইউনিয়নে প্রবাসী জামায়াত কর্মী তানিম আহমেদের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী প্রবাসীর বোন জানান, ফেসবুকে কমেন্ট নিয়ে বিরোধের জেরে শনিবার মাগরিবের পর ছাত্রদল নেতা মোঃ হোসেন তানভীর আরেকজন সহযোগীকে নিয়ে তাদের বাড়িতে আসেন। ঘরে তখন শুধু প্রবাসীর মা ও বোন ছিলেন। ঘরে ঢুকেই ছাত্রদল নেতা তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও চিল্লাচিল্লি শুরু করেন। একপর্যায়ে প্রবাসীর বোনকে বাধ্য করে প্রবাসীর ফোনে কল দেওয়ানো হয়। প্রবাসীর সাথে ফোনে কথা বলার একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ছাত্রদল নেতা প্রবাসীর বোনের মোবাইল ফোনটি  পর পর দুইবার আছাড় দিয়ে দুই ভাগ করে ফেলেন।

“তাণ্ডবের বিবরণ দিয়ে প্রবাসীর বোন আরও জানান, ছাত্রদল নেতা চেয়ার ভাঙচুর করেন এবং ভাঙা চেয়ারের অংশ আমার মায়ের গায়ে পড়ে, এতে মা ব্যথা পান। এরপর টেবিল থেকে মরিচের গুঁড়া ও লিকুইড আমসত্ত্ব পালানো সময় আমাদের দুজনের গায়ে ও চোখে পড়ে। মরিচের গুঁড়া চোখে ঢুকে যাওয়ায় আমাদের চোখ ও শরীর প্রচণ্ড জ্বালাপোড়া করছে।”

অভিযোগ রয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে যাওয়ার সময় ছাত্রদল নেতা হোসেন তানভীর প্রবাসীর পরিবারকে হুমকি দিয়ে বলেন, প্রবাসীর যদি ফেসবুকে লেখার স্বাধীনতা থাকে, তবে উনারও স্বাধীনতা আছে ঘরে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার। এছাড়া প্রবাসী দেশে ফিরলে তাকে জবাই করার হুমকিও দেওয়া হয় বলে প্রবাসীর বোন অভিযোগ করেন।

পরিবার সূত্রে আরও জানা গেছে, প্রতিবেশী এক ব্যক্তি এই হামলার ঘটনা নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করায় তার সাথেও বাকবিতণ্ডায় জড়ান অভিযুক্তরা। তাকে তুলে নেওয়া চেষ্টা করলে প্রবাসীর ছোট ভাইকে মারধর করা হয়।

ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, ঘটনার পর চাটখিল থানা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করা হলেও পুলিশ আসার কথা বলে পরবর্তীতে আর ঘটনাস্থলে আসেনি।