০৭:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লার ‘কাকলি হোটেলে’ মিষ্টির নামে প্রতারণা: ‘স্পেশাল রসমালাই’ কিনে ঠকছেন যাত্রীরা!

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ঢাকা-নোয়াখালী মহাসড়কের কুমিল্লার যাত্রাবিরতির হোটেলগুলোতে মিষ্টি কিনে প্রতারিত হওয়ার অভিযোগ দিন দিন বাড়ছে। এবার সেই তালিকায় নাম উঠেছে কুমিল্লার **‘কাকলি হোটেল’**-এর। ভালো মানের আশায় বেশি দাম দিয়ে রসমালাই কিনে পচা ও দুর্গন্ধযুক্ত পণ্য পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন এক ভুক্তভোগী যাত্রী।

গত ১১ই মে নোয়াখালী থেকে ঢাকাগামী বাসের এক যাত্রী যাত্রাবিরতির সময় কুমিল্লার কাকলি হোটেলে থামেন। উন্নত মানের আশায় তিনি ৫৫০ টাকা দিয়ে এক বক্স “স্পেশাল রসমালাই”কেনেন। দোকানে ৪০০ টাকার ‘নরমাল’ এবং ৫৫০ টাকার ‘স্পেশাল’—এই দুই ধরনের রসমালাই থাকলেও বিক্রেতার আশ্বাসে তিনি দামিটাই বেছে নেন।

তবে ঢাকা পৌঁছে বক্সটি খোলার পর দেখা যায়, পুরো রসমালাই পচা ও খাওয়ার অনুপযুক্ত হয়ে গেছে। অর্থাৎ, সাধারণ যাত্রীদের সরলতার সুযোগ নিয়ে বাসি ও নষ্ট মিষ্টি গছিয়ে দেওয়া হচ্ছে ‘স্পেশাল’ তকমা দিয়ে।

ভুক্তভোগী যখন বক্সে থাকা নাম্বারে অভিযোগ জানাতে ফোন করেন, তখন বেরিয়ে আসে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যায়, তারা কুমিল্লার নামী “মাইয়ামি হোটেল”এর নাম ও প্যাকেট নকল করে এসব নিম্নমানের পণ্য বিক্রি করছে। পরবর্তীতে মাইয়ামি হোটেলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা কোনো কার্যকরী সমাধান বা সদুত্তর দিতে পারেনি।

মহাসড়কের ধারের এসব হোটেলে সাধারণ যাত্রীরা ক্ষণিকের জন্য থামেন বলে এই সুযোগটি কাজে লাগাচ্ছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। তারা জানে, একবার মিষ্টি কিনে চলে যাওয়ার পর কোনো যাত্রী আর অভিযোগ করতে ফিরে আসবে না।

সর্বাধিক পঠিত

মাদ্রাসা থেকে সরকারি বরাদ্দের  চালগুলো বৈধ উপায়ে ক্রয় করেছে;দাবি অভিযুক্তের

কুমিল্লার ‘কাকলি হোটেলে’ মিষ্টির নামে প্রতারণা: ‘স্পেশাল রসমালাই’ কিনে ঠকছেন যাত্রীরা!

আপডেট: ১০:১৫:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ঢাকা-নোয়াখালী মহাসড়কের কুমিল্লার যাত্রাবিরতির হোটেলগুলোতে মিষ্টি কিনে প্রতারিত হওয়ার অভিযোগ দিন দিন বাড়ছে। এবার সেই তালিকায় নাম উঠেছে কুমিল্লার **‘কাকলি হোটেল’**-এর। ভালো মানের আশায় বেশি দাম দিয়ে রসমালাই কিনে পচা ও দুর্গন্ধযুক্ত পণ্য পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন এক ভুক্তভোগী যাত্রী।

গত ১১ই মে নোয়াখালী থেকে ঢাকাগামী বাসের এক যাত্রী যাত্রাবিরতির সময় কুমিল্লার কাকলি হোটেলে থামেন। উন্নত মানের আশায় তিনি ৫৫০ টাকা দিয়ে এক বক্স “স্পেশাল রসমালাই”কেনেন। দোকানে ৪০০ টাকার ‘নরমাল’ এবং ৫৫০ টাকার ‘স্পেশাল’—এই দুই ধরনের রসমালাই থাকলেও বিক্রেতার আশ্বাসে তিনি দামিটাই বেছে নেন।

তবে ঢাকা পৌঁছে বক্সটি খোলার পর দেখা যায়, পুরো রসমালাই পচা ও খাওয়ার অনুপযুক্ত হয়ে গেছে। অর্থাৎ, সাধারণ যাত্রীদের সরলতার সুযোগ নিয়ে বাসি ও নষ্ট মিষ্টি গছিয়ে দেওয়া হচ্ছে ‘স্পেশাল’ তকমা দিয়ে।

ভুক্তভোগী যখন বক্সে থাকা নাম্বারে অভিযোগ জানাতে ফোন করেন, তখন বেরিয়ে আসে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যায়, তারা কুমিল্লার নামী “মাইয়ামি হোটেল”এর নাম ও প্যাকেট নকল করে এসব নিম্নমানের পণ্য বিক্রি করছে। পরবর্তীতে মাইয়ামি হোটেলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা কোনো কার্যকরী সমাধান বা সদুত্তর দিতে পারেনি।

মহাসড়কের ধারের এসব হোটেলে সাধারণ যাত্রীরা ক্ষণিকের জন্য থামেন বলে এই সুযোগটি কাজে লাগাচ্ছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। তারা জানে, একবার মিষ্টি কিনে চলে যাওয়ার পর কোনো যাত্রী আর অভিযোগ করতে ফিরে আসবে না।